My Valentine Humaira আমার ভ্েলন্‌টাইন হুমায়রা

My Valentine Humaira
You are my precious sweetheart Valentine.
I know with my heart and soul you are mine.
Without you around me I feel desperately lonely,
Even in an environment that is very friendly.
You are my love, wife and life’s sunshine.
In your exciting company I feel great and fine.
Over half a century my passion for you has not diminished a bit.
It’s as intoxicating and loving as it was in the first night.
We had in our life thrilling, breathtaking moments.
We enjoyed a romantic life full of excitements.
Love has tied the two of us for over fifty years.
It almost always saw us as to inseparable lovers.
Allow me to give you a flying kiss and hug you on this Valentine’s day.
Let us enjoy this day blessed by the Supreme Being in a unique way

আমার ভ্যালেন্‌টাইন হুমায়রা
তুমি আমার অতি আদরের দুলালী ভ্যালেন্‌টাইন
মনে প্রাণে বিশ্বাস করি তোমার প্রতি আমার ভালোবাসা গহীন।
তুমি ছাড়া মনে হয় পরিবেশ বান্ধব এক জনাকীর্ণ স্থানে
আমি সাথীহারা বড় একাকী নেইকো কেউ যে ভালবাসে আপনজনে।

তুমি আমার ভালবাসা, সহধর্মিনী আর সূর্যের কিরণ;
তোমার স্নেহ পরশে আমার অনুভূতি বৃদ্ধি পায় বহুগুণ।
অর্ধ শতাব্দিতেও তোমার প্রতি আকর্ষণ হ্রাস পায়নি কিঞ্চিৎ।
প্রথম রজনীর মত তোমার সান্নিধ্য আমার কাছে প্রাণ মাতানো নিশ্চিৎ।

আমাদের জীবনে কেটেছে বহু আবেগময় শ্বাসরুদ্ধকর মুহূর্ত;
আমদের বিবাহিত জীবন ছিল অতি উত্তেজনাময় রোমাঞ্চিত।
পঞ্চাশ বছর ভালবাসায় সিক্ত অবিছিন্ন ছিল আমাদের বন্ধন।
দীর্ঘ সময় আমাদের দেখেছে দুই প্রেমিকপ্রমিকার দুর্নিবার আকর্ষণ।

আজ এই ভ্যালেন্টাইন দিবসে গ্রহণ কর তুমি আমার উড়ন্ত চুম্বন।
আর আমরা উপভোগ করি করুণাময়ের দয়ায় আনন্দ অসাধারণ।

Happy Birthday to Hassania

Today is 8th of September,
A happy day to remember
Hassania was born today to the delight of all.
amidst a lot of merriment and cheers.

After khalid’s marriage broke up,
He was lonely looking desperately for a companion;
Who would comfort and pay him loving attention!
You championed the cause out of your kind thoughtfulness.

You gave him three nice and adorable children;
They came as Allah’s infinite mercy as precious gifts from heaven.
Both Sulaiman and Aliyaa have memorized a number of Surahs of the Qur’an.
It’s indeed a creditable achievement worthy of mention.
By commuting the children to their school you have shouldered a great responsibility;
That has relieved your husband from a part of his duty.
Your cooking and cuisine skill is excellent;
It is to the liking of every palate.

It’s a great gesture that you stand like a rock by your sister Karima’s side.
And have come to her help by being extremely kind.
Karima’s daughter is growing up as a part of your family.
Soon their dark days will be over and they will live happily.

We also admire your generosity to your stepson;
You have been patient with him against provocation.

The world is not a bed of roses but thorny;
Life alternates with happiness and misery.
If you live your life with integrity and honesty
It will be counted by the Merciful Allah as piety.

We join with you all in humbleness;
to grant Hassania utmost peace and happiness;
We pray that her life is full of splendor
and she lives her life with grace, dignity and grandeur.

Dhaka
the 8th Sept., 2013

On the Wedding day of Yousuf and Aliza

On the Wedding day of Yousuf and Aliza
Only the other day you were an adorable baby boy;
But now you are a young man to fill our hearts with joy.

Today you and Aliza are united in bond of marriage;
May this bond be strengthened with love and courage.

You will have to work hard to that end;
Unless you earn it, nothing is God sent.

In this partnership man and woman are equal;
There is no other golden rule in this ritual.

Man and woman are created to be different;
No wonder if you are sometimes in disagreement.

At every occasion great each other warmly;
By this gesture you will not be melancholy.

Develop interest in each other’s hobby;
That will make you both very happy.

If you want to make a decision;
Do it through mutual discussion.

Be conscious of your duty; do it to the best of your ability,
whether at home or office, don’t forget your responsibility.

If Aliza wants wants to be a good housekeeper,
she should make a list of things in a paper.
Remember the age old chinese proverb in this connection,
‘longest memory is fainter that the palest ink’s impression.’

Don’t spend money just because you have plenty;
Without planning your pocket will soon be empty.

If one is ill, the other should feel the pain,
Sweet words said in sympathy never go in vain.

Indifference is a deadly disease in conjugal life;
Cordiality should be the watchword between husband and wife.

In dispute be patient to hear your partner;
You may have missed a point in your anger.
When one is angry, the other should be quiet;
Silence is golden, it will prevent an unintentional fight.

It is not good to lie to your wife;
it is the cause of many a strife.

Suspicion is dangerous in conjugal life;
Stop it, if you want your marriage to survive.

May Aliza and Yousuf earn so much fame;
that everyone remembers your name.
We pray for the happiness and long life of the couple;
May your combined efforts steer you through all your trouble.

Daddy
16th August, 1981.

On the occasion of holy wedding of grandchildren

On the occasion of your holy wedding
It is the parents who arrange the marriages in our country,
For the memorable day the would-be groom and bride get ready,
Without knowing how they would undertake this difficult journey.
Here are certain tips that will help them make the sailing smooth and easy.
Both of you will have to work hard to that end
Nothing is painless, smooth and God-sent.
In the partnership man and woman are equal
There is no other golden rule in this ritual.

Remember men and women are created to be different
No wonder sometimes the partners are in disagreement.
At every occasion greet your life partner warmly;
By this nice gesture you will never feel melancholy.

Develop a keen interest in each other’s hobby,
That will make you attracted to each other and happy.
When in family matters you want to make a big decision;
Take your time and reach consensus through discussion.

Remember that to run the family is both partners’ responsibility;
When urgently needed don’t run away dodging your duty.
To run the family smoothly the wife needs to be a good housekeeper.

The best way to do it is to make a list in a paper.
Remember the wise age old Chinese saying in this connection,
The strongest memory is fainter than the palest ink’s impression.

Eschew the habit of spending money just because you have plenty;
Without planning carefully your pockets will soon be empty.
To maintain cordial relations with in-laws be courteous;
This is the best way that your relation remains harmonious.

If one is ill the partner should feel the pain;
Sweet words said in sympathy never go in vain.
Indifference is a deadly disease in a conjugal life;
Cordiality should be the watchword between husband and wife.
In dispute be patient to listen to your partner;
You may have missed an important point in your anger.
When one is angry, the other should be quiet;
Silence is golden, it will prevent an unintentional fight.

It’s suicidal to lie to your wife;
It’s the cause of many a strife.
Suspicion is dangerous in conjugal life.
Stop mistrust if you want your marriage to survive
We beg your blessings for the success of our marriage;
that we save our nuptial bond with indomitable courage.

Dedicated to the young men and women
of the present generation
August 17, 2013

আমিরার প্রথম জন্মবার্ষিকীঃ Amirah’s First Birthday

আমিরার প্রথম জন্মবার্ষিকী
আমিরার আজ শুভ জন্মদিন
তাই দিন্টা কত ঝলমল, কত রঙ্গিন।
খুশিতে হয়ে দিশেহারা
জন্মদিনে মিলেছি আমরা;
এসেছে এই উৎসবে আপনজন
দাদা দাদী, বড় মা, নানা নানী, ফুফা ফুফু আত্মীয় স্বজন।
চাচা চাচী আরও কত আত্মীয় স্বজন।
সবাই এসেছে আমিরাকে করতে আশীর্বাদ
তার দীর্ঘায়ু আর মঙ্গল কামনায় হাত তুলে মুনাজাত
আমিরার মন মাতান হাসি
যে দেখেছে সে হয়েছে খুশী।
সকালে উঠে আমিরা ডাকে কাক কাক;
যে শুনেছে সে হয়েছে অবাক।
দেখেছি তাকে বড় হতে সারা বছর ধরে
অসহায় শিশু থেকে বসতে ধীরে ধীরে।
বসার থেকে একটু করে ধরে দাঁড়াতে;
এখন সে পারে অনায়াসে হামাগুড়ি দিয়ে চলতে।
তার মিষ্টি স্বভাবে সকলেই তুষ্ট
দুধ আর খাবার খেতে দেয়না কষ্ট।
মা বাবার সে এক অমূল্য রত্ন;
সে তাদের এক সুখের স্বপ্ন।
তাকে দিয়ে যেন মা বাবার সাধ হয় পূর্ণ;
আমিরার কৃতিত্বে তারা যেন হয় ধন্য।
তার দাঁত নেই বলে আমরা তাকে ডাকি দাদী বুড়ী
সে বুঝেনা আমরা কেন তার সঙ্গে করি কেন এত বাড়াবাড়ি।
আদরের আমিরাকে কোলে নিতে করি আমরা কাড়াকাড়ি।।
এ সুযোগ হারাব আমরা যখন সে হাটবে তাড়াতাড়ি।
আমিরার আরও কত কীর্তি দেখে নয়ন যায় ভরে।
এ’ সব ঘটনা চিরদিন রাখব মোরা স্মৃতে পটে ধরে।
আমিরা জানেনা স্বরবর্ণ ও এবং ঔ
কুকুর দেখলে কিন্তু সে ডাকে ভৌ ভৌ।
ধারে কাছে বাড়ীরআশে পাশে বিড়াল ছানা নাই;
মিয়াও মিয়াও বলতে শিখেনি সে তাই।
খুশীতে যখন তার ভরে যায় হৃদয়
দুলে দুলে ঘন ঘন সে হাত তালি দেয়।
আমরা কেউ যখন বাসা থেকে নিই বিদায়
টা টা করে তালে তালে সে হাত নাড়ায়।
জন্ম দিনের কথা বুঝবে না সে এখন
চারিদিকের পরিবেশ এখন কেন এত আনন্দঘন
ছবিতে তাই ধরে রাখব মোরা আজকের আয়োজন।
বড় হয়ে যেন সে জানতে পারে এক বছর বয়সে সে ছিল কেমন?
সে কি হবে জীবনে?
এ প্রশ্ন জাগে সর্বদা মনে।
সে কি হবে দাদার মত প্রফেসার?
না পাপার মত ইঞ্জিনিয়ার ?
না ফুফুর মত বিজ্ঞানী, না দাদীর মত গৃহিনী?
না মামার মত ব্যবসায়ী, না চিকিৎসক, না শিল্পী?
সে হয়ত বলবে আমি হব আমার মত;
আমার জন্য চিন্তা করোনা অতশত।
জাননা আমি একবিংশ শতাব্দীর ছাত্রী;
যেখানে আছে সম্মান ও যশ আমি সে পথের হব যাত্রী।
সে বলবে হয়ত, দোয়া কর যেন আমার ঈমান হয় মজবুত ।
আমি যেন চলতে পারি ন্যায় ও সত্য পথে নিয়ত নিঁখুত।
আজ এই পবিত্র দিনে আমরা সবাই করি তোমার জন্য প্রার্থনা।
যতদিন না হয় শুভ্র তোমার সব ক’টি কেশ;
ততদিন সুন্দর হয়ে বেঁচে থাক এই আমাদের কামনা।
জীবনে যেন কোনদিন সুখের না হয় নিঃশেষ;
জীবনে যেন না পাও দুঃখ না কোন ক্লেশ।
দাদা ও দাদী
১৬ই মে ১৯৮৯

স্মৃতি চারণঃ খ্যাতনামা পূর্বসূরীদের উদ্দেশ্যে

৬ই আগষ্ট, ২০১২
সহকর্মীবৃন্দ, স্নেহের নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা
জন্মদিনের অনুষ্ঠানে সাধারণতঃ বক্তৃতা দেওয়ার সুযোগ থাকেনা । কিন্তু ভাবলাম সকলের উপস্থিতির সুযোগ নিয়ে কিছু কথা বলি। রাজনীতি অঙ্গনে যেমন পূর্বসূরীদের স্মরণ করা হয় তেমনটি হয়না বিশ্ববিদ্যালয় ও অনুরূপ শিক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ে কলা অনুষদের কোন কোন বিভাগে যেমন বাংলা ও ইংরেজী বিভাগে
যে ভাবে খ্যাতমান শিক্ষকদের জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকী পালন করা হয় তেমনটি হয়না জীববিজ্ঞান অনুষদের বিভাগগুলোতে। উদাহরণস্বরূপ উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের কথা বলা যায়। এই বিভাগে প্রোথিতযশা কয়েকজন বিজ্ঞানীদের নাম উল্লেখ করা যায় যেমন ড. পঞ্চানন মাহেশ্বরী, ড. মজিদ আহমেদ, ড. রেয়াত খান, ড. আশরাফুল হক, ড. নুরূল ইসলাম ও আখতারুজ্জামান। তাঁদের আমরা স্মরণ করি না। ড.পঞ্চানন মাহেশ্বরীর কথা ধরা যাক। আমার মনে হয়না যে সব শিক্ষার্থীরা ড. পঞ্চানন মাহেশ্বরীর লিখিত পাঠ্য পু¯তকের (An Introduction to the Embryology of Angiosperms) সাথে পরিচিত তারা ছাড়া কয় জনই বা তাঁর অতুলনীয় অবদানের কথা জানে। পাকভারতবাংলাদেশের জীববিজ্ঞানীদের মধ্যে তিনি একজন বিরল ব্যক্তি যাঁকে যুক্তরাজ্যের রয়াল সোসাইটি সদস্য পদে (ফেলো অব দ্য রয়াল সোসাইটি) ভূষিত করে।

দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক এবং Indian National Science Academy-এর ফেলো ড. N.S. Rangaswami তাঁকে কর্মযোগী নামে আখ্যায়িত করেন। ড. মাহেশ্বরীর জন্ম বা মৃত্যু বার্ষিকী পালন না করলে এই স্বনামধন্য উদ্ভিদবিদের অমূল্য অবদানের কথা ক্রমশই কালের অতল গর্ভে তলিয়ে যাবে । তাঁর অতুলনীয় অবদানের কথা বাংলাদেশে আর কেউ স্মরণ করবেনা।
একজন আদর্শ শিক্ষক হিসাবে ড. রেয়াত খান ভূয়সী প্রশংসা অর্জন করেন; নিয়মানুবর্তীতার তিনি ছিলেন প্রতীক, পাছে দেরী না হয়ে যায় সে জন্য তাঁর বাসা থেকে তিনি বর্ষার সময় বিভাগের উদ্দেশ্যে সকাল সকাল রওয়ানা হতেন, দশ বছর চাকরী জীবনে পরীক্ষার খাতা জমা দিতে তাঁর একবারও দেরী হয়নি।
গবেষণার কাজে ড. আশরাফুল হক এত উৎকর্ষতা অর্জন করেন যে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ববিখ্যাত প্রফেসার ড. সি ডি ডার্লিংটন এক বছর অন্তর অন্তর তাঁর ল্যাবে গবেষণার করার জন্য আশরাফ সাহেবকে আমন্ত্রণ জানাতেন; সেখানকার গবেষণা লব্ধ Heredity’ প্রভৃতি বিজ্ঞান সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়।

ড. মজিদ আহমেদের কথা বলতে একটি মজার ঘটনার কথা মনে পড়ে। আমি তখন কর্ণেল বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণারত। কেন্ স্যান্ডারসান নামে বিভাগীয় একজন সহযোগী গবেষককে দেখলাম তিনি আমাকে আমার প্রাপ্যের চেয়ে বেশী সম্মান প্রদর্শন করছেন। কৌতুহলী হয়ে একদিন তাঁর কাছে এই প্রসঙ্গটা উত্থাপন করলাম। বিস্মিত হয়ে তিনি আমাকে পাল্টা প্রশ্ন করলেন। কেন, আপনি কি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মজিদ আহমেদ নন যিনি বেম্ব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রখ্যাত বংশগতিবিদ ড. ক্যাচেসাইডের তত্ত্বাবধানে পি.এইচডি করেছিলেন? আমি হাসাতে তিনি অপ্রস্তুত হলেন এবং আমাকে হাসির কারণ জিজ্ঞাসা করলেন। অত্যন্ত কষ্টে হাসি চেপে রেখে বললাম, ”আমি ঐ একই বিভাগে কাজ করি এবং আমার প্রথম নাম আর ড. মজিদ আহমেদের সারনেম একই।” কেন্ স্যান্ডারসান বর্তমানে ক্যানাডার নামকরা বিশ্ববিদ্যলয়ের অনুজীব বিভাগের একজন নামকরা অধ্যাপক। ড. মজিদ আহমেদ নিউরোস্পোরা নামক ছত্রাকের জীন সমষ্টির সূক্ষ্ম গঠনের উপরে কাজ করে দেশ ও বিদেশে খ্যাতি অর্জন করেন। 
প্রতিকূল অবস্থার সম্মুখীন হয়েও ড. সালার খান অক্লান্ত ও একনিষ্ঠ পরিশ্রম দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয় হারবেরিয়াম প্রতিষ্ঠিত করেন। এর কার্যক্রম শুরু প্রথমে গ্রিন রোডের একটি ভাড়াটে বাড়ীতে। এখন এটি বাংলাদেশ জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যানের অভ্যন্তরে নিজস্ব ভবনে অবস্থিত। বাংলাদেশ জার্নাল অব প্ল্যান্ট ট্যাক্সোনমি তাঁর একটি মূল্যবান অবদান। বিশ্বে এই ষান্মাষিক সাময়িকীটি একটি সম্মানজনক স্থান করে নিয়েছে।

ড. নুরুল ইসলামের অবদান শৈবাল জগতে অনন্য। তিনি মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বনামধন্য প্রফেসার এ.ড. Prescott-এর ছাত্র ছিলেন। তিনি একক ও যৌথভাবে ২০০-র কাছাকাছি প্রবন্ধ প্রকাশ করনে। তাঁর সম্পর্কে একটি কথা না বললেই নয়। তাঁর চাকরী জীবনের প্রথম দিকে ফজলুল হলের সংলগ্ন পশ্চিমদিকে যে পুকুরটি আছে সেখানে একটি কচ্ছপের পিঠে কয়েকটি সবুজ দাগ ড. নুরূল ইসলামের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। সেই সবুজ দাগটির সম্পর্কে তিনি গবেষণা চালিয়ে গেলেন এবং  আবিষ্কার করলেন যে সবুজ দাগগুলো একটি নির্দিষ্ট শৈবাল, Basicladium-র উপস্থিতির জন্য। তাঁর অনন্য অবদানরে জন্য বাংলাদশে সরকার তাঁকে জাতীয় অধ্যাপক পদে ভূষিত কর। ড. আখতারুজ্জামানরে কথা বলতে গিয়ে মাতৃভাষার্ প্রতি যে তাঁর কত গভীর অনুরাগ ছলি তা তাঁর রচিত বইগুলো নিরীক্ষণ করলেই বুঝা যায়। মাতৃভাষায় স্নাতক পর্যায়ে বংশগতবিদ্যা ও কোষবংশগতবিবিদ্যা (সাইটোজনেটেক্সি) বিবর্তন বিষয়ের পাঁচটি বই লিখেই তিনি ক্ষান্ত হন নাই ।
জীব জগতে আলোড়ন সৃষ্টিকারী মহাপন্ডিত বিজ্ঞানী ডারুইন এর দ্বারা রচিত Origin of Species অনুবাদ করে বাঙলা ভাষাকে সমৃদ্ধ করেন। যারা অনুবাদ করেছেন  তাঁরাই কেবল উপলব্ধি করতে পারবেন বাংলায় ভাষান্তর করাটা কতটা দুরূহ ।

এই সব ক্ষণজন্মা মনীষীদের জন্ম/মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মৃতিচারণ করলে একদিকে যেমন তাঁদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে, অন্যদিকে বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্মের উদ্ভিদ বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরা তাঁদের বিভাগের পূর্বসূরী খ্যাতনামা বিজ্ঞানীদের অমূল্য অবদানের কথা জেনে অনুপ্রাণিত হবে ও সেই দুর্গম পথে চলবার প্রচেষ্টা চালাবে। নবীন বরণ করার সময় পূর্বসূরী খ্যাতনামা বিজ্ঞানীদের স্মৃতিচারণ
করলে এই কাজটি সহজ হয়ে যাবে। উদ্ভিদ বার্তাতে তাঁদের জীবনী প্রকাশ করলে সহজে শিক্ষার্থীরা এদের সম্বন্ধে বিস্তারিত জানতে পারবে। আমি এই প্রসঙ্গে একটি কমিটি গঠন করার প্রস্তাব করি। অধ্যপক ইমদাদুল হক এবং অধ্যপক রাখহরি সরকারকে এই কমিটির ভার নিতে অনুরোধ করব। আজকাল ইন্টারনেটের যুগ। এর সুযোগ নিয়ে একটি সুন্দর ইন্টারএ্যাকটিভ্ ওয়েবসাইট খোলা যেতে পারে। এর জন্য অনুর্ধ ৪০ হাজার টাকার প্রয়োজন।  আপনাদের সম্মতি পেলে আমি সানন্দে এই অর্থের যোগান দিব। এই ওয়েবসাইটে থাকবে উপরোক্ত ছয়জন উদ্ভিদবিজ্ঞানীর সংক্ষিপ্ত জীবনীর রূপরেখা এবং তাঁদের জন্ম- ও মৃত্যু বার্ষিকীর তারিখসহ অন্যান্য দরকারী তথ্যাবলী। উইকিপেডিয়াতে যেমন সংকলিত তথ্যে বাড়তি উপাত্ত সংযোজন করা যায় প্রস্তাবিত ওয়েবসাইটেও সে সুবিধাটুকু থাকবে যাতে করে মডারেটরের অনুমোদন সাপেক্ষে পাঠক/পাঠিকারা বাড়তি তথ্য সংযোজন বা ভুল তথ্যাদি বাদ দিতে পারবেন। ওয়েবসাইটের নাম botanycelebratiesdu.org দেওয়া যেতে পারে ।
আপনাদের প্রত্যেককে অসংখ্য ধন্যবাদ দিয়ে আমার বক্তব্য শেষ করছি।